Suman Bhattacharya | Lila Kirtan | Bengali Song. | А¦ёа§ђа¦іа¦ѕа¦ља¦іа§‡ А¦®а¦№а¦ѕа¦єа§ќа¦°а¦а§ѓ | Nilachale Mahaprabhu |
বাঙালি সংস্কৃতিতে কীর্তন কেবল গান নয়, এটি একটি আধ্যাত্মিক সাধনা। সুমন ভট্টাচার্য তাঁর বিশেষ গায়নশৈলীতে মহাপ্রভুর রূপ বর্ণনা, তাঁর নৃত্য এবং জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার সময় মহাপ্রভুর সেই উন্মত্ত নৃত্যের যে চিত্র তুলে ধরেন, তা অসাধারণ। লীলা কীর্তনের এই ধারাটি সাধারণ মানুষকে খুব সহজে ভগবদ্ভক্তির সাথে জুড়ে দেয়।
সন্ন্যাস গ্রহণের পর মহাপ্রভু যখন প্রথম নীলাচলে পদার্পণ করেন, তখন জগন্নাথ দর্শনের ব্যাকুলতায় তিনি মূর্ছিত হয়ে পড়েছিলেন। পুরীর সার্বভৌম ভট্টাচার্য প্রথমে তাঁকে সাধারণ সন্ন্যাসী মনে করলেও, পরে মহাপ্রভুর পাণ্ডিত্য ও ঈশ্বরীয় ভাবে মুগ্ধ হয়ে তাঁর চরণে আশ্রয় নেন। নীলাচলে মহাপ্রভু দীর্ঘ আঠারো বছর অতিবাহিত করেন। তাঁর এই অবস্থান পুরী ধামকে ভক্তিমার্গীয় আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছিল।
আপনি কি এই কীর্তনের কোনো জানতে চান বা মহাপ্রভুর জীবনের অন্য কোনো বিশেষ লীলা সম্পর্কে আরও পড়তে আগ্রহী?
বাংলার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এক উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। তাঁর জীবনের দুটি প্রধান পর্ব—নবদ্বীপের 'লীলা' এবং সন্ন্যাস-পরবর্তী 'নীলাচল লীলা'। চব্বিশ বছর বয়সে সন্ন্যাস গ্রহণের পর মহাপ্রভু শ্রীক্ষেত্র বা পুরী ধামকে তাঁর প্রধান আবাসস্থল হিসেবে বেছে নেন। সুপণ্ডিত এবং গায়ক সুমন ভট্টাচার্য তাঁর কীর্তনের মাধ্যমে মহাপ্রভুর এই নীলাচল জীবনের ভাবগম্ভীর ও রসাত্মক রূপটি অতি চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
নীলাচলে মহাপ্রভু: প্রেম ও ভক্তির পরম গন্তব্য